আদর্শগত বিরোধ থাকলে অনেক সময় বন্ধুর সাথে বন্ধুর দ্বন্দ্ব লেগে যায়। স্বপন ও সুদীপ্তর ক্ষেত্রে সেটিই ঘটেছিল। স্বপন সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের অনুসারী, অপরদিকে সুদীপ্ত এটিকে অপছন্দ করে। ফলে তাদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের সোভিয়েত ইউনিয়ন ও - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আদর্শের মিল আছে।
আদর্শগত বিরোধ থাকলে অনেক সময় বন্ধুর সাথে বন্ধুর দ্বন্দ্ব লেগে যায়। স্বপন ও সুদীপ্তর ক্ষেত্রে সেটিই ঘটেছিল। স্বপন সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের অনুসারী অপরদিকে, সুদীপ্ত এটিকে অপছন্দ করে। ফলে তাদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। উদ্দীপকের এ ঘটনার সাথে পুঁজিবাদী রাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নের সাদৃশ্য রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পৃথিবীতে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সোভিয়েত রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরস্পরবিরোধী মতাদর্শগত পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। মূলত সোভিয়েত রাশিয়া সমাজতান্ত্রিক আদর্শের ধারক এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পুঁজিবাদের ধারক। রাশিয়ার এ সমাজতন্ত্রকে আমেরিকা বিপজ্জনক ও আপত্তিকর মনে করেন। কারণ এখানে জনগণের কোনো স্বাধীনতার স্থান নেই। অন্যদিকে, আমেরিকার গণতন্ত্রকে রাশিয়া আদৌ গণতন্ত্র বলে স্বীকার করে না। কারণ তাদের মতে, আমেরিকার গণতন্ত্র হলো ধনীদের যন্ত্র এবং জনগণের গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে আক্রমণ। আমেরিকার মূল লক্ষাই হলো ধনতান্ত্রিক আদর্শ প্রচার করা, যা সাম্রাজ্যবাদের নামান্তর। এ আদর্শগত দ্বন্দ্ব রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে একটি স্নায়বিক উত্তেজনার সৃষ্টি করে। এ স্নায়বিক উত্তেজনার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয় যখন আমেরিকার সাথে ব্রিটেন, ফ্রান্সসহ আরও ১৫টি রাষ্ট্র এবং রাশিয়ার সাথে তার অনুগত রাষ্ট্রগুলো যোগ দিলে বিশ্ব দুটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
উদ্দীপকের স্বপন আমেরিকা তথা পুঁজিবাদের বিশ্বাসী ছিল আর সুদীপ্ত সোভিয়েত রাশিয়া তথা সমাজতন্ত্রের বিশ্বাসী ছিল। ফলে পরস্পর বন্ধু -হওয়া সত্ত্বেও উভয়ের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?